[X]
১৯ জুলাই ২০১৬, মঙ্গলবার

দৌলতগঞ্জে পুরাকীর্তি রক্ষায় তরুণদের আন্দোলন সফল: ফাহিম ফিরোজ

print

Fahim Photoদৌলতগঞ্জের ঐতিহ্য রক্ষার আন্দোলন চলে আসছে অনেক দিন ধরে। পুরাকীর্তি রক্ষা আন্দোলনের সফল দিক নির্দেশক ও দৌলতগঞ্জ ঐতিহ্য রক্ষা আন্দোলন কমিটির ঢাকার সভাপতি দেশের বিশিষ্ট কবি ফাহিম ফিরোজের সাথে এ নিয়ে কথা হয় দীর্ঘ সময়। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাংবাদিক লোকমান তাজ।

প্র : আপনি সেই ১৯৮১ সাল থেকে জীবননগর থেকে চলে গিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। এতদূর থেকে কি করে বুঝলেন জীবননগরের দৌলতগঞ্জে প্রত্নটিবি আছে?
উ : সৃষ্টিকর্তাই এই মেধা আমাকে দিয়েছে।
প্র : এখানে কত গুলো প্রত্নস্থাপনা আছে?
উ : এবিষয়ে আপাতত কিছু বলতে চাইনা।
প্র : কিন্তু আপনিতো নিজের লেখায় কতগুলো প্রত্নস্থলের কথা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
উ : ইঙ্গিত আর বাস্তবতা এক নয়। নতুন নতুন আবাস স্থান নির্মাণ হওয়ায় সম্ভাব্য অনেক প্রত্নস্থল আড়ালে চলে গেছে।
প্র : আনুমানিক কয়মাস এখানে তরুণরা পুরাকীর্তি রক্ষার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে। ঢাকা কমিটির সম্পাত হিসেবে এবিষয়ে কিছু বলুন।
উ : দৌলতগঞ্জ পুরাকীর্তি রক্ষায় তরুণদের আন্দোলন সফল।
প্র : কারণ?
উ : আমাদের প্রধান কাজ ছিল এখানে পুরাকীর্তি ধ্বংসকারী অতিলোভী ঘৃণিত ব্যক্তি হাবিবুরকে প্রতিরোধ করা। এজন্য কিছুদিন আগে শক্তিশালী একটি মানব-বন্ধন করে হাবিবুরের শক্তিকে চূর্ণ করে দেওয়া হয়। থানা, চেয়ারম্যান, সাংবাদিক এদের কারো নিষেধই যখন হাবিবুর শুনছিলনা তখন এই সাপের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচার জন্য যা যা করার দরকার দেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে আমি তাই তরুণদের করতে বলেছি। তারা আমার কথা রক্ষা করেছে। ঘৃণিত হাবিবুরকে যখন কেউ প্রতিরোধ করতে পারতেছিলো না তখন তরুণরা তাকে থামিয়ে দেয়। পৃথিবীর পুরাকীর্তি আন্দোলনে এধরনের ঘটনা এই প্রথম। এই সব তরুণদের কথা পুরাকীর্তি আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
প্র : এখন তরুণদের প্রধান কাজ কি?
উ : কুখ্যাত রাজাকার ফরিদ দর্জির কুপুত্র ‘গোলে কামাল’-এর শয়তানি প্রতিরোধ করার জন্য। এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মুক্তি যোদ্ধা পরিবারের জায়গা দখলে নেয়ার জন্য মামলার অভিযোগ রয়েছে। গরিব নির্যাতনের ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে। এত তাড়াতাড়ি বিপুল সংখ্যক সম্পদের সে কিকরে মালিক হলো, এটা সরকারি মহলকে গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। কিছু হলেই সে টাকার হুমকি দেয়। জানা যায়, ‘গোলে কামাল’-এর বাড়ির নাকি অধিক কাগজ নেই। এ বাড়ি থেকে পুরাকীর্তি নমুনা অধিদফতরের লোকজন গত মে মাসে নিয়ে গেছে। এলাকায় কিছু লোকদের ধারনা এ বাড়ি থেকে সে গুপ্তধন পেয়েছে। বাড়িটি খনন তাই অতি জরুরী। সে সাথে এলাকার অন্য কয়টি বাড়িও। কারণ এসব বাড়ি থেকেও পুরাকীর্তি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে (স্থানীয় সূত্র)। বাড়িগুলো হচ্ছে বটা ময়রার বাড়ি (বর্তমানে শহিদুল মেম্বারের বাড়ি), মিনু শেখের বাড়ি, হাবিবুরের বাড়িসহ আর কিছু বাড়ি। এসব বাড়ি সবই দৌলতগঞ্জের মধ্যে।
প্র : তরুণরা কি এতে সরকারি সহায়তা পাবে?
উ : যারা দেশকে ভালবাসে তারা পুরষ্কারে বিশ্বাসী নয়। সব ভালো কাজেই কমবেশি স্বীকৃতি আছে।

মতামত

প্রতিদিনের সর্বশেষ সংবাদ পেতে

আপনার ই-মেইল দিন

Delivered by FeedBurner

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৭
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০